Somoy Daily

Somoy Daily Bangla News Online.

মা-বাবা মা’রা‌ গেছেন, ১০ বছরের শিশুকে ট্রেনে ফেলে গেলেন ভাই-ভাবি!

/
/
/
65 Views

মা-বাবা মা,রা গেছেন, ১০ বছরের শিশুকে ট্রেনে ফেলে গেলেন ভাই-ভাবি! পিতা-মাতার মৃত্যুর পরে তার ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম অজ্ঞাত কারণে তার দশ বছরের ছোট ভাইকে ট্রেনে নিয়ে যায়। ভাই ভাবী তখন বলেছিলেন, আমরা আর আপনার যত্ন নেব না, যেখানেই আপনার ভাগ্য যায়, আমরা দেখব আপনি বেঁচে আছেন কিনা।

ছেলে রফিকুল ইসলামের বাড়ি নওগাঁ জেলার ভবানীপুরের রানীনগর উপজেলা গ্রামে। তার বাবার নাম বদেশ মণ্ডল এবং শনিবার রাতে তাকে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বাহারপুর ট্রেন স্টেশনে পাওয়া যায়। রবিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে সোনার বাংলা ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ স্থানীয় সংসদের আহ্বায়ক এইচ এম হেলাল খন্দকার ছেলেটিকে বালিয়াকান্দি অফিসার উপজেলা নির্বাহীর কাছে নিয়ে আসেন।

ছেলে রফিকুল জানান, তার বয়স দশ বছর। আমি দ্বিতীয় শ্রেণিতে ছিলাম। তার বাবা-মা মারা গেছেন প্রায় এক বছর আগে। মৃত্যুর পর থেকে তিনি তাঁর একমাত্র ভাই ভাবীরের সাথেই ছিলেন। তার ভাই একটি ইটভাটার হিসাবে কাজ করতেন এবং নওগাঁর রানীনগরে ভাড়া বাসায় থাকতেন। শনিবার তার ফুফাত ভাই তাকে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনে নামিয়ে দিয়েছিল যে রাজশাহী ছেড়ে গেছে কারণ সে আর তাকে ধরে রাখতে পারেনি।

স্থানীয় সোনার বাংলা সমাজ কল্যাণ ও ক্রীরা সংসদের সমন্বয়ক এস এম হেলাল খন্দকার জানান, তাঁর বাড়ি স্টেশনের পাশেই ছিল। বিভিন্ন সামাজিক ক্রিয়াকলাপ করুন। শনিবার (২৩ জানুয়ারী) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেন ছেড়ে যাওয়ার পরে, সে ছেলেটিকে স্ট্যান্ডে এলোমেলোভাবে ঘুরে দেখল এবং তাকে বাড়িতে নিয়ে যায় এবং বিশদটি জানার চেষ্টা করে। ওই রাতে পুলিশ বিষয়টি পুলিশ ও ইউএনকে জানায়। পরে ২৪ শে জানুয়ারি দুপুর ১ টার দিকে রফিকুলকে ইউএন কার্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়।

বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আম্বিয়া সুলতানা জানান, শনিবার রাতে বাহারপুর স্টেশনে একটি সমাজকর্মী একটি শিশুকে পেয়েছিলেন। ছেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তিনি সংশ্লিষ্ট নওগাঁ কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহীর সাথে কথা বলেছেন। শিশুটিকে তার পরিবারের সদস্যদের হাতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।

  • Facebook
  • Twitter
  • Google+
  • Linkedin
  • Pinterest
This div height required for enabling the sticky sidebar